Posts

কাবা ঘরকে তাওয়াফ করছে আবাবিল পাখি

Image
কাবা ঘরকে তাওয়াফ করছে আবাবিল পাখি সৌদি সরকার করোনা ভায়রাসের কারনে কাবা ঘর তাওয়াফ করা সাময়িক স্থগিত করে কিন্তু এমন সময় দেখা যার আবাবিল পাখি ঝাকেঝাকে কাবা ঘরকে তাওয়াফ করছে (আল্লাহমদুলিল্লাহ) মানুষ নেয় তো কি হয়েছে ১৮ হাজার মাখলুকত আছে কাবা ঘরকে তাওয়াফ করার জন্য....... Post টি Share করুন

অখন্ড বাংলা আন্দোলন কেন ব্যর্থ হয়েছিল?

Image
প্রারম্ভিক কথা : অখন্ড বাংলা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা ছিল হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দীর আজীবনের স্বপ, কিন্তু কিছু কারনে তার এই স্বপ্ন বাস্তবে রুপলাভ করতে পারেনি মুলত যে কান বিষয় বা ঘটনার সাফল্য অথবা ব্যর্থতার পেছনে কতগুলাে কারণ থাকে তেমনি অখও স্বাধীন বাংলা রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলন ব্যর্থতার পেছনেও কতগুলাে কারণ ছিল যে সমস্ত কারণে অখন্ড স্বাধীন বাংলা রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলন ব্যর্থ হয়। ব্যর্থতার কারণ : ১. সাংগঠনিক কারণ : এ প্রস্তাব উদ্যোগতাদের সাংগঠনিক দুর্বলতা ছিল তারা কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের ঐক্যবদ্ধ করে প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারেনি। ২. বাংলার কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের দ্বন্দ্ব : বাংলার কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে অনৈক্য অখন্ড বাংলা গড়ার অন্যতম অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় । বাংলা বিভক্তির উপর গণভোটের আয়োজন করা হলে আন্দোলন সফল হতো । ৩. কমিউনিস্ট পার্টির দায়িত্ব : কমিউনিস্ট পার্টি অখন্ড বাংলার পক্ষে থাকলেও তারা তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে। ৪. জনসংখ্যার বিভাজন : পশ্চিম বাংলায় হিন্দু এবং পূর্ব বাংলায় মুসলমান জনবসতি বেশি ছিল।ফলে হিন্দুদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতাবোধ সৃষ্টি হয়। তার...

Sheikh Mujibur Rahman Former Prime Minister of Bangladesh

Image
শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান (১৭ মার্চ ১৯২০ - ১৫ আগস্ট ১৯৭৫), সংক্ষিপ্তাকারে শেখ মুজিব বা মুজিব, ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও ভারতীয় উপমহাদেশের একজন অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি বাঙালির অধিকার রক্ষায় ব্রিটিশ ভারত  থেকে ভারত বিভাজন আন্দোলন এবং পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে নেতৃত্ব প্রদান করেন। প্রাচীন বাঙালি সভ্যতার আধুনিক স্থপতি হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের জাতির পিতা" বলা হয়ে থাকে। তিনি মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং পরবর্তীতে এদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। জনসাধারণের কাছে তিনি শেখ মুজিব এবং শেখ সাহেব হিসাবে বেশি পরিচিত ছিলেন এবং তার উপাধি "বঙ্গবন্ধু"। তার কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানবাংলাদেশের ১ম রাষ্ট্রপতিকাজের মেয়াদ ১১ এপ্রিল ১৯৭১ – ১২ জানুয়ারি ১৯৭২প্র...

বাংলায় তুর্কী শাসনের ইতিহাস

Image
বাংলায় তুর্কী শাসনের ইতিহাস বাংলায় মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা করেন বখতিয়ার খলজি। এ পর্বের পথম পর্যায় ছিল ১২০৪ থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। এ যুগের শাসনকর্তাদের পুরোপুরি স্বাধীন বলা যাবে না। এঁদের কেউ ছিলেন বখতিয়ারের  সহযোদ্ধা খলজী মালিক। আবার কেউ কেউ তুর্কী বংশের শাসক। শাসকদের সকলেই দিল্লির সুলতানদের অধীনে বাংলার শাসনকর্তা হয়ে এসেছিলেন। পরবর্তীকালে অনেক শাসনকর্তাই দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীন হতে চেয়েছেন। তবে এদের বিদ্রোহ শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। দিল্লির আক্রমণের মুখে তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। মুসলিম শাসনের এযুগ ছিল বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ। তাই ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলাদেশের নাম দিয়েছিলেন ‘বুলগাকপুর’। এর অর্থ ‘বিদ্রোহের নগরী’। বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পর তাঁর সহযোদ্ধাদের মধ্যে শুরু হয় ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। তাঁর সহযোদ্ধা তিনজন খলজী মালিকের নাম জানা যায়। এরা হচ্ছেন- মুহম্মদ শিরণ খলজি, আলী মর্দান খলজী এবং হুসামউদ্দীন ইওয়াজ খলজি। অনেকেরই ধারণা ছিল আলী মর্দান খলজি বখতিয়ার খলজির হত্যাকারী। এ কারণে খলজি আমীর ও সৈন্যরা তাঁদের...

বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা

Image
বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনাকালকে বাংলায় মধ্যযুগের শুরু বলা হয়। ইতিহাসে এক যুগ থেকে অন্য যুগে প্রবেশ করতে হলে বিশেষ কতকগুলো যুগান্তকারী পরিবর্তন দরকার। মুসলমানদের বঙ্গ বিজয়ের ফলে বঙ্গের রাজনৈতিক ক্ষেত্রেই শুধু পরিবর্তন আসেনি। এর ফলে বঙ্গের সমাজ, ধর্ম, অর্থনীতি, ভাষা ও সাহিত্য, শিল্পকলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এদেশবাসীর জীবনে বৈপ-বিক পরিবর্তন আসে। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি তেরো শতকের শুরুতে তুর্কী বীর ইখতিয়ারউদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাংশে সেন  শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুসলমান শাসনের সূচনা করেন। তিনি আফগানিস্তানের গরমশির বা আধুনিক দশত-ই-মার্গের  অধিবাসী ছিলেন। ইতিহাসে তিনি বখতিয়ার খলজি নামেই বেশি পরিচিত। তাঁর বংশ পরিচয় সম্বন্ধে তেমন কিছু জানা  যায় না। তিনি ছিলেন জাতিতে তুর্কী, বংশে খলজি এবং বৃত্তিতে ভাগ্যান্বেষী সৈনিক।  বখতিয়ার খলজি স্বীয় কর্মশক্তিতে বিশ্বাসী ছিলেন। ১১৯৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি নিজ জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করে জীবিকার  অণ্বেষনে গজনীতে আসেন। এখানে তিনি শিহাবউদ্দিন ঘোরীর সৈ...

প্রাচীন বাংলার আচার-অনুষ্ঠান, উৎসব ও রীতি-নীতি

Image
প্রাচীন বাংলার আচার-অনুষ্ঠান, উৎসব ও রীতি-নীতি প্রাচীন বাংলায় পূজা-পার্বন ও আমোদ প্রমোদের প্রচুর ব্যবস্থা ছিল। উমা অর্থাৎ দূর্গার অর্চনা উপলক্ষে বরেন্দ্রে বিপুল উৎসব হতো। বিজয়া দশমীর দিন ‘শাবোরৎসব’ নামে একপ্রকার নৃত্যগীতের অনুষ্ঠান হতো। চৈত্র মাসে বাদ্য সহকারে এক ধরনের অশ্লীল গানের রীতি তখন প্রচলিত ছিল। হোলাকা বা বর্তমান কালের ‘হোলি’ একটি প্রধান উৎসব ছিল। স্ত্রী-পুরুষ সকলে এতে যোগদান করতো। কোজাগরী পূর্ণিমা রাত্রিতে অক্ষ-ক্রীড়া হতো। আত্মীয়-স্বজন মিলে চিড়া ও নারকেলের প্রস্তুত নানাবিধ খাদ্য গ্রহণ সে রাত্রির প্রধান অঙ্গ ছিল। দ্যুত-পতিপদ নামে একটি বিশেষ উৎসব কার্তিক মাসের শুক্লা প্রতিপদে অনুষ্ঠিত হতো। এ মাসেই সুখরাত্রিব্রত পালিত হতো। ভ্রাতৃদ্বিতীয়া, আকাশপ্রদীপ, জন্মাষ্টমী, অক্ষয় তৃতীয়া, দশহরা, গঙ্গাস্নান, মহাঅষ্টমীতে ব্রহ্মপুত্র স্নান ইত্যাদি বর্তমানের সুপরিচিত অনুষ্ঠানগুলো সেকালেও প্রচলিত ছিল। এ সকল পূজা-পার্বণে অনুষ্ঠিত নানাবিধ আমোদ-উৎসব ব্যতীত হিন্দুধর্মের অনেক লৌকিক অনুষ্ঠানও প্রাচীনকালের সামাজিক জীবনে বিশিষ্ট স্থান অধিকার করেছিল। শিশুর...