Posts

Showing posts with the label স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনকাল (১৯৭২-১৯৭৫)

Image
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনকাল (১৯৭২-১৯৭৫) ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১-এর এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা  ঘোষণা করেন। স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১৯৭১-এর ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরেই (২৫ মার্চ রাত ১২  টার পর) বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে ঢাকা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায়। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস তিনি কারাগারে  বন্দী ছিলেন। পাকিস্তান সরকার তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগে সামরিক আদালতে বিচারকাজ শুরু করে।  প্রহসনের বিচারে তাঁর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় দেয়া হয়। ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের পরেও বঙ্গবন্ধু  পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন। তিনি বেঁচে আছেন কি-না তাও দেশের মানুষ জানত না। বঙ্গবন্ধুর জন্য উদ্বেগ,  উৎকণ্ঠায় নিমজ্জিত ছিল সারা দেশের মানুষ। অধীর অপেক্ষা, কবে আসবেন মহান নেতা অবশেষে ১৯৭২-এর ১০  জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে এলেন।   বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরা (স্বদেশ প্রত্যাবর্তন) ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরার আগে পাকিস্তান থেকে সরাসরি বঙ্গবন্ধুকে লন্ডন নিয়ে যাওয়া হয় ...

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়

Image
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত আমাদের নানাভাবে সাহায্য- সহযোগিতা করেছে। বিশেষভাবে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর  মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন ছিল  অত্যন্ত গুরুত্ব ঘটনা। পাকিস্তান ৩ ডিসেম্বর ভারত আ ক্র মণ করলে  যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে  ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে  যুদ্ধে যোগ দেয়।  যৌথ বাহিনীর সুপরিকল্পিত প্রবল আ ক্র মণে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের পূর্বেই হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর নৈতিক  পরাজয় ঘটে। অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেল চারটা একুশ মিনিটে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে  (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানের ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক লেঃ জেনারেল আমীর আবদুল্লাাহ খান নিয়াজী প্রায় ৯৩  হাজার সৈন্যসহ বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লে: জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে  নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করেন। বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার। ত্রিশ লক্ষ শহীদ,  কয়েক লক্ষ মা-বোনের সীমাহীন কষ্ট, ন...

স্বাধীনতা অর্জনে রাজনৈতিক ব্যক্তি ও দেশ ও সংগঠনের অবদান

Image
স্বাধীনতা অর্জনে রাজনৈতিক ব্যক্তি ও দেশ ও সংগঠনের অবদান বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের অবদান অপরিসীম। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবর্গ  বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে অনেক ত্যাগস্বীকার করেছেন। নানা অত্যাচার-নিপীড়ন সহ্য করেছেন। রাজনীতিবিদগণ  স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জীবনবাজি রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল নেতৃত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সারা জীবনের কর্মকাণ্ড,  আন্দোলন-সংগ্রাম নির্দেশিত হয়েছে বাঙালির জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে। এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি ১৯৪৮ সালে ছাত্রলীগ এবং  ১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হন। ’৪৮ ও ’৫২-র ভাষা আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।  তিনি ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রথম কারাবন্দীদের মধ্যে  অন্যতম। কী সংসদ, কী রাজপথ, বাংলা ভাষা ও  সংস্কৃতির পক্ষে তাঁর কণ্ঠ ছিল সর্বদা সোচ্চার। ১৯৫৪  সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা  ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতিদান, ১৯৫৮ সালে  জ...

মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা

Image
মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত কর্মসূচি এবং আহ্বানের  প্রতি সকল স্তরের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়। পূর্ব  বাংলার সকল অফিস, আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,  কলকারখানা বন্ধ হয়ে যায়। ইয়াহিয়া খান পূর্ব  পাকিস্তানের অবস্থা বেগতিক দেখে বঙ্গবন্ধু শেখ  মুজিবুর রহমানের সাথে আলোচনা করতে ঢাকায়  আসেন। এ সময় ভুট্টোও ঢাকায় আসেন।  অপরদিকে ইয়াহিয়া গোপনে আলোচনার নামে  কালক্ষেপণ, পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্য,  গোলাবারুদ এনে পূর্ব বাংলায় সামরিক প্রস্তুতি গ্রহণ  করে। ১৭ মার্চ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী  ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ বা বাঙালির ওপর নৃশংস  হত্যাকাণ্ড পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করে। ২৫  মার্চ রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে বর্বরতম গণহত্যা,  অপারেশন পুলিশ ক্যাম্প, পিলখানা বিডিআর ক্যাম্প, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আ ক্র মণ চালায়  এবং নৃশংস গণহত্যা সংঘটিত করে, যা ইতিহাসে ২৫ মার্চের কালরাত নামে পরিচিত। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১৯৭১-  এর ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরেই (২৫ মার্চ রাত ১২ টার পর) বঙ্গবন্ধুকে গ...